মঙ্গলবার ভোরে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর ব্রিজের কাছে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় তাদের সাতজন সদস্য আহত হয়েছে বলে জানান পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ২টা আগ্নেয়াস্ত্র ও ২টা ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করেছে। নিহত অপহরনকারী নাইম ইসলাম মিরপুর উপজেলার চিথলিয়ার জহুরুল ইসলামের ছেলে এবং জোয়ার আলী একই এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্র দেবদত্ত হত্যার প্রধান আসামী নাইম ইসলামকে নিয়ে মঙ্গলবার ভোরে অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ। উপজেলার চিথলিয়ার পাহাড়পুর ব্রিজের কাছে পৌছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে বন্দুকযুদ্ধে নাইম ইসলাম ও জোয়ার আলী গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনায় পুলিশের এসআই লাল চাঁদ, এসআই এমদাদুল হক, এএসআই রুহুল আমীন, এএসআই সাইফুল ইসলাম ও ৩জন কনস্টেবল আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২টি পিস্তল ও ২টা ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ৮ জুন সকালে প্রাইভেট পড়তে বের হলে নিজ গ্রামের রাস্তা থেকে দুই জন মটরসাইকেল আরোহী চিথলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র দেব দত্তকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা ঐদিন বিকেলে দেব দত্তের পিতার ফোনে তার মুক্তিপন হিসেবে ৫০ লক্ষ টাকা দাবী করে। সোমবার দুপুরে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের নাইম ইসলামের বাড়ীর পায়খানার সেপটিক ট্যাংকি খুড়ে শিশু দেব দত্তের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই অপহরণের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত নাইম ইসলাম ও জোয়ার আলী জড়িত ছিল বলে বলে জানান পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here